দিনলিপি

যাপিত জীবন নিয়ে বিক্ষিপ্ত চিন্তা-ভাবনা ও অভিজ্ঞতা

বোরিং লাগলে আঁকিবুকি হেল্প করে মাঝে মাঝে। এছাড়াও হোয়াইট বোর্ডের তো আরো অনেক কাজ আছে। এইসব কারণেই একটা হোয়াইট বোর্ড ব্যবহার করি। এটা একটা ওপেনসোর্স টুল। ব্যবহার করার জন্য এখানে ক্লিক করুন। শুধুমাত্র কম্পিউটারে ব্যবহারযোগ্য।

Happiness is...

স্টিকি নোট, টু-ডু লিস্ট, ক্যালকুলেটর, এনালগ ক্লক ও ক্যালেন্ডার। এই কয়েকটা জিনিষ আমি প্রতিদিন ব্যবহার করি। তাই আমার এক স্টুডেন্ট ও Thinkr Cloud এর ইন্টার্ন Sazid Mostafiz আমার জন্য নোট, টুডু ও ক্যালকুলেটরের ওয়েব ভার্সন বানিয়ে পাঠিয়েছে। এই টুলগুলোরে একটু পলিশ করে একটা পেজে জুড়ে দিলাম।



সাথে ক্যালেন্ডার ও এনালগ ক্লকও যোগ করলাম। এই টুলগুলোর একটা বিশেষত্ব হচ্ছে ডাটা ক্লায়েন্ট সাইডে সংরক্ষিত হয়, আমাদের সার্ভারে পাঠায় না। ফলে, কোন প্রাইভেসী ইস্যু নাই।

টাউন-সেন্টার থেকে এই টুলগুলো সকলের ব্যবহারের উন্মুক্ত করে দেব রাতে। আগ্রহীরা Town-Center.net পেজে চোখ রাখতে পারেন, ওখানে আপডেট দেয়া হবে।



মাসখানেক আগে দুইজনরে দায়িত্ব দিয়েছিলাম টাউন-সেন্টারের জন্য যারা এপ্লিকেশন করেছে তাদের সাথে ফোনে যোগাযোগ করতে। প্রায় শ'খানেক লোকের সাথে কথা বলার পর দুইজন টায়ার্ড হয়ে বলে- ভাইয়া, টাউন-সেন্টার রিলিজ না হওয়া পর্যন্ত কথা বলা কঠিন। অনেক এক্সপ্লেইন করতে হয়। আবার বুঝানোও কঠিন। তাই রিলিজের পর যোগাযোগ শুরু করার পরিকল্পনা নিয়ে আমরা যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছিলাম।

কিন্তু এর মাঝে আবার টাউন-সেন্টারের নেটওয়ার্কিং পদ্ধতি পরিবর্তন করে ফেলি। প্রথমে ভেবেছিলাম একটা একটা করে জেলায় যাবো আর সেখানে টাউন-সেন্টার ওপেন করবো। কিন্তু পরে দেখলাম এভাবে আসলে প্রায় দেড় বছর লেগে যাবে। তারচাইতে আগে লোকজন সেট করে টাউন-সেন্টার ওপেন করে পরে ভিজিট করা ভালো। এতে এবছরের ভেতরেই আমরা ৬৪ জেলায় শুরু করে দিতে পারবো।

এরপর দু'টো জেলার টীম তৈরি হওয়ার পর দেখা গেল ওদের রেফারেন্সেই অন্য জেলাগুলোতে লোকজন পেয়ে যাচ্ছি। ফলে যারা এপ্লিকেশন করেছিলেন, তাদের সাথে আর যোগাযোগ করা হয়নি। কিন্তু, যারা কষ্ট করে এপ্লিকেশন করেছেন তাদের সাথে যদি একবারো যোগাযোগ করা না হয় তাহলে তাদেরকে অসম্মান করা হয় ভেবে আজকে আমি নিজে কল করা শুরু করেছি। সকাল থেকে এখন পর্যন্ত ৪৪ জনের সাথে কথা বললাম। অভিজ্ঞতা ইন্টারেস্টিং...!

আচ্ছা যে জন্য এই গরু রচনা। আপনারা যারা এপ্লিকেশন করেছিলেন তাদের ভেতরে যাদের চোখে এই লেখাটা পড়বে তারা যদি কষ্ট করে ইনবক্সে একটু টোকা দিতেন, তাহলে ফোন করে আপনাদের মূল্যবান সময় নিতে হতো না। এই ফেব্রুয়ারি থেকেই আমরা ডেপ্লয় শুরু করছি।

প্রথম খন্ড পড়েছিলাম। দুই খন্ড একত্রে কিনলাম এবার। এত ব্যস্ততার ভেতরেও প্রতিদিন এক ঘন্টা বরাদ্দ করলাম। তবে শুরু করার পর কী হবে বলতে পারছি না।

চমৎকার বাঁধাই, মলাট ও ছাপার জন্য গার্ডিয়ান পাবলিকেশন্স রে প্রথমেই ধন্যবাদ। আর Kai Kaus, আপনার ব্যাপারে বলার কিছু নেই। বাংলার ইতিহাস পালন করুক সেই দায়িত্ব।

I prefer 5 Billion Star...

Vagabond

গেমঃ মাইন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং
এই গেমে একদল শয়তান নিয়ে খেলবে, অন্যদল এঞ্জেল নিয়ে। গেমে অনেক মানুশ থাকবে। শয়তান ও এঞ্জেলরা সেই মানুশদের মন একসেস করতে পারবে।
শয়তান ও এঞ্জেল মনের ভেতরে বিভিন্ন কাজ করার পক্ষে/বিপক্ষে নানা ধরনের জাস্টিফিকেশন তৈরি করবে। অনেকটা পাজল সলভিং এর মতন। এক্ষেত্রে পৃথিবীর বিভিন্ন সময়ের বিভিন্ন মতবাদ তারা ব্যবহার করতে পারবে।
শয়তান নিয়ে যারা খেলবে তাদের লক্ষ্য হচ্ছে কেওয়াস তৈরি করা। গেমের ভেতরের মানুশদের মাইন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং করে তা করা যাবে। অনেক লোকের মাইন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং করতে পারলে সোশ্যাল ইঞ্চিনিয়ারিং হবে এবং এর ইফেক্ট চলতে থাকবে লম্বা সময় ধরে। এই কেওয়াস থেকে প্লেয়ার পয়েন্ট আর্ন করবে। কেওয়াস চরমে তুলে মানব সভ্যতা ধ্বংস করে দিতে পারলে শয়তান উইনার হবে। আর পৃথিবীতে যদি শান্তি প্রতিষ্ঠা হয়ে যায়, জাস্টিস চলে আসে তাহলে শয়তান পরাজিত হবে।
অন্যদিক এঞ্জেলরা করবে উলটোটা। তারাও মাইন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং করবে তবে শান্তি ও জাস্টিস প্রতিষ্ঠার জন্য। একটা পীচফুল সভ্যতা তৈরি করা তাদের লক্ষ্য।



কাজের প্রেশার বেশী হয়ে গেলে আমার মাথায় অন্য কোন বিষয়ে আইডিয়া এসে গিজ গিজ করতে থাকে। এটা সেরকমই একটা আইডিয়া। আপাতত এই আইডিয়া নিয়ে কাজ করার সময় নাই। থিংকার ক্লাউড আর টাউন-সেন্টার পুরোদমে চালু হওয়ার আগে অন্য কোন কিছু নিয়ে কাজ করবো না। ফলে, আইডিয়াটা আউটসোর্স করে দিতে চাচ্ছি।
গেমস ডেভেলপমেন্ট সম্পর্কে আইডিয়া আছে বা ইউনিটি/জাভাস্ক্রিপ্ট খুব ভালো জানেন এরকম কেউ যদি আগ্রহী থাকেন, যোগাযোগ করতে পারেন। কনসেপ্ট থেকে শুরু করে মার্কেটিং পর্যন্ত হেল্প করতে পারবো। কসসেপ্ট দেয়ার পাশাপাশি ডেভেলপমেন্টের ব্যাকএন্ডে (বিশেষ করে ডাটাবেস ডিজাইনে) সাহায্য করতে পারবো। আর টাউন-সেন্টারের বিশাল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে ফ্রি মার্কেটিং করার দায়িত্ব আমার। আপনার কাজ কনসেপ্ট অনুযায়ী ডেভেলপ করা। ৩০% শেয়ার আমার ৭০% আপনার, এরকম ডিলে আগ্রহী হলে ইনবক্সে টোকা দিয়েন।

দুধ + ওট (যব) + কলা + খেজুর + বাদাম + ব্রেড = সুপার ফুড

আগে সকালের ব্রেকফাস্ট আর সন্ধ্যার সাফারে খেতাম। এখন থেকে সপ্তায় দুইদিন লাঞ্চেও খাবো। প্রোটিন নিয়ে যাবো ব্রেকফাস্ট আর সাফারে। তারমানে এখন থেকে সপ্তাহে পাঁচদিন পাঁচবার ভাত খাওয়া হবে। এটা সপ্তাহে দুইবারে নামিয়ে আনবো। ভাত থেকে বের হয়ে আসতেছি।



থিংকার কিডসের জন্য আমরা এই 7" e-Ink টাচ কালার ডিসপ্লে ডিভাইসটা ডিজাইন করেছি। আমেরিকার মার্কেটে এটা রিলিজ হবে। বাংলাদেশ মার্কেটে এধরনের প্রোডাক্ট কেমন চলতে পারে যাচাই করা হচ্ছে এখন। ডিভাইসের ক্ষেত্রে কোন প্রফিট না রেখে ২৫ হাজারে মার্কেটে দেয়া সম্ভব। সেই সাথে ৫ হাজার টাকার থিংকার ক্রেডিট (তাহলে ২০ হাজার টাকা খরচ পড়ে)।

এখন পর্যন্ত আমাদের মার্কেট এনালাইসিস বলে চলার সম্ভবনা কম। তবে, আমেরিকান মার্কেটে যদি আমরা অন্তত এক লাখ ইউনিট বিক্রি করতে পারি তাহলে বাংলাদেশ মার্কেটে সাবসিডি দিয়ে রিলিজ দেয়ার প্ল্যান আছে।
যারা বইটই পড়েন তারা বুক রিডার হিসেবে ২৫ হাজারে এই জিনিষ নিবে কিনা, সেটাও বুঝার চেষ্টা করছি। তাহলে থিংকার ক্লাউডের (eBook Reader) প্রোডাক্ট হিসেবেও এখানে রিলিজ দেয়া যায়।

Trivuz Alam

Trivuz Alam

কাজ করি তথ্যপ্রযুক্তি নিয়ে, বাদবাকী সব ভালো লাগা থেকে করা। নতুন কিছু শিখতে ভালো লাগে। গেমিং, বই পড়া, ফটোগ্রাফি, ভ্রমণ করা হয় ভালো লাগার জায়গা থেকে। আর ভালো লাগে চিন্তা করতে। সেসব চিন্তার কিছু কিছু প্রকাশ করবো এখানে।

সাম্প্রতিক লেখা

যেসব টপিক নিয়ে লেখালেখি করছি